Home / Article / bKash-এর নতুন বিজ্ঞাপনে ‘নিয়ম’ মানার নির্দেশনা

bKash-এর নতুন বিজ্ঞাপনে ‘নিয়ম’ মানার নির্দেশনা

bKash Txt

দেখতে আগের বিজ্ঞাপনগুলোর ধারাবাহিকতা মনে হলেও বিকাশের বর্তমান বিজ্ঞাপনটি আগেরগুলো থেকে ভিন্ন একটি বার্তা দিচ্ছে। এই বিজ্ঞাপনে তারা প্রথম স্বীকার করছে নিজের একাউন্ট ছাড়া এজেন্টদের মাধ্যমে টাকা লেনদেন করা অনিয়ম। কারো টাকা পাঠানো এজেন্টের কাজ না। এজেন্টের কাজ একাউন্ট খোলা, ক্যাশ ইন এবং ক্যাশ আউট করা।

বিকাশ এজেন্টদের মাধ্যমে টাকা লেনদেনের চর্চিত পদ্ধতিতে প্রেরক এবং গ্রহীতার সঠিক পরিচয় সংরক্ষিত হয় না বা ভুয়া পরিচয়ের সুযোগ থাকে। এই সুযোগে সাম্প্রতিক সময়ে অবৈধ অর্থনৈতিক লেনদেনের মাধ্যম হয়ে উঠার অভিযোগ উঠেছে এই ব্র্যান্ডটির দিকে। সংবাদ মাধ্যমে প্রচারিত অনুসন্ধানে জানা যাচ্ছে অনেক অসাধু এজেন্ট ভুয়া বিকাশ একাউন্ট করা ষাট-সত্তরটি মোবাইল সিম এর মালিক। আর তারা এসব একাউন্ট ব্যবহার করছেন একাউন্ট বিহীন লোকদের টাকা লেনদেনে। যার মধ্য অসাধু উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত টাকার লেনদেনও রয়েছে।

বিকাশের বর্তমান বিজ্ঞাপনের উদ্দেশ্য যদি হয় আইনি জটিলতা এড়ানোর নিয়ম রক্ষা, তাহলে আজ এ পর্যন্তই।

আর যদি অবৈধ লেনদেন সনাক্ত তথা প্রতিরোধের পথে আরেকটু অগ্রসর হয়ে আস্থাশীল একটি ব্র্যান্ড হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করা বিকাশের উদ্দেশ্যের মধ্য থাকে তাহলে কাজ শুরু করতে হবে আরও পিছন থেকে। ঘুম থেকে উঠে একদিন সকালে এই বিজ্ঞাপন মেনে বিকাশ এজেন্টরা তাদের সেবা নিয়মানুগ সীমায় সীমাবদ্ধ রাখবেন, এমনটা আশা করার কোন কারন নেই। মনে রাখতে হবে, টাকা পাঠানোই বিকাশ এজেন্টদের লাভের প্রধান উৎস। টাকা লেনদেনের গতি প্রকৃতি চিহ্নিত করতে চাইলে ভুয়া একাউন্ট বন্ধ করতে হবে। অসম্পূর্ণ তথ্য দিয়ে মোবাইল এবং বিকাশ কোন একাউন্টই করতে দেয়া যাবে না। মোবাইল ব্যাংকিং সেবা গ্রহণ করে জরুরি প্রয়োজনে অনেকেই উপকৃত হচ্ছেন। এটা অস্বীকার করার উপায় নেই। কিন্তু একে অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হওয়া থেকে সরে আসতে হবে। বিশেষ করে কানস লায়নের মতো বিজ্ঞাপনের বিশ্ব আসরে আলোচিত বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুত বাড়তে থাকা মোবাইল অর্থ সেবা প্রতিষ্ঠান বিকাশ-এর কাছে দেশের মানুষ এই বিস্বস্থতা আশা করতেই পারে।

advertising archive bangladesh